অশ্বগন্ধা একটি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক হার্ব। এর বৈজ্ঞানিক নাম Withania somnifera। বাংলায় একে “ঘোড়ার গন্ধ” নামেও চেনা হয়, কারণ এটি শরীরে ঘোড়ার মতো শক্তি ও সহনশক্তি বাড়ায়।
অশ্বগন্ধা পাউডার নিয়মিত সেবনে শরীরের স্ট্রেস কমে, ঘুম ভালো হয় এবং ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়।
১️। মানসিক প্রশান্তি ও স্ট্রেস কমায়: অশ্বগন্ধা শরীরের কর্টিসল হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে, যা মানসিক চাপ কমিয়ে প্রশান্তি এনে দেয়।
২️। শক্তি ও সহনশক্তি বৃদ্ধি করে: নিয়মিত অশ্বগন্ধা পাউডার খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয় ও দৈনন্দিন কাজে উদ্যম ফিরে আসে।
৩️। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: অশ্বগন্ধায় থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে।
৪️। রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে: এই হার্বাল উপাদানটি রক্তে গ্লুকোজ ও কোলেস্টেরল লেভেল ব্যালেন্স রাখতে সাহায্য করে।
৫️। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও স্মৃতি বৃদ্ধি করে: অশ্বগন্ধা স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কোষের কার্যকারিতা উন্নত করে, ফলে মনোযোগ ও স্মৃতি বাড়ে।
৬️। পুরুষ ও নারীদের হরমোন ভারসাম্য রক্ষা করে: এটি প্রজনন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।
প্রতিদিন ১ চা চামচ অশ্বগন্ধা পাউডার দুধ, পানি বা মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
সকালে খেলে শক্তি বাড়ায়, রাতে খেলে ঘুম ভালো হয়।
চা, স্মুদি বা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়।
পরামর্শ: প্রথম ৭ দিন অল্প পরিমাণে শুরু করে ধীরে ধীরে নিয়মিত করুন।
প্রতি ১০০ গ্রাম অশ্বগন্ধা পাউডারে প্রায় ৩.৯ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা শরীরের পেশি গঠন ও মেরামতে সহায়তা করে। এতে রয়েছে প্রায় ৩.৩ মিলিগ্রাম আয়রন, যা রক্ত বৃদ্ধি করে ও রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে। এছাড়া প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ২৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়, যা হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সাহায্য করে।
অশ্বগন্ধায় রয়েছে প্রায় ২.৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন C, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও ত্বককে সুস্থ রাখে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে এবং কোষের বার্ধক্য কমায়।
যদিও এটি প্রাকৃতিক হার্বাল উপাদান, তবুও—
অতিরিক্ত সেবনে পেটের সমস্যা বা ঘুম ঘুম ভাব হতে পারে।
গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন।
থাইরয়েড বা ডায়াবেটিস রোগীদের সতর্ক থাকতে হবে।
প্রশ্ন ১: অশ্বগন্ধা পাউডার প্রতিদিন খাওয়া যায় কি?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রতিদিন ১ চা চামচ খাওয়া নিরাপদ, তবে নিয়মিত ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রশ্ন ২: এটি কি ঘুমের জন্য উপকারী?
উত্তর: হ্যাঁ, এটি স্ট্রেস কমিয়ে ঘুম উন্নত করতে সহায়তা করে।
প্রশ্ন ৩: কতদিনে ফল পাওয়া যায়?
উত্তর: নিয়মিত ৩–৪ সপ্তাহ ব্যবহার করলে শক্তি ও মানসিক প্রশান্তিতে পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।
No review given yet!
Fast Delivery all across the country
Safe Payment
7 Days Return Policy
100% Authentic Products
You need to Sign in to view this feature
This address will be removed from this list